ডুয়ার্স এর কোনো এক অরণ্যে হারিয়ে গিয়েছিলাম... কুয়াশা ঢাকা চারিদিক.. তার সঙ্গে ঝিরঝিরে বৃষ্টি। কুয়াশা ঢেকে দিলে সেই জায়গার আর কোনো দিক থাকেনা। যেদিকেই যাই মনেহয় সেই দিকেই যাওয়া উচিত.. তুমিও সেই কুয়াশা ঢাকা আরণ্যের মতন। তোমার অনেক দিক অনেক কোন।.. কখনো মমতা মাখা শিক্ষিকা কখনো ঝগড়ুটে তর্কবাগিশ মেয়ে, কখনো খিলখিল করে হেসে ওঠা শৈশব... যদি আমার হও কখনো তাহলে সারাজীবন কুয়াশায় মুড়িয়ে রেখো আমায়। শুনেছি কুয়াশার ভেতরে কম শীত করে... থাকবো নাহয় তোমার উষ্ণতার গভীরে.
১৯৩১ সালের ২৩শে মার্চ। লাহোর সেন্ট্রাল জেল। ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত, হাতে সময় মাত্র কয়েক মিনিট। অথচ কক্ষের ভেতরে এক তরুণ বিপ্লবী নিমগ্ন হয়ে পড়ছেন একটি বই। কারারক্ষী যখন ডাকতে এলেন, সেই তরুণ নির্ভীক চিত্তে উত্তর দিয়েছিলেন— "দাঁড়ান, একজন বিপ্লবী আর একজন বিপ্লবীর সাথে কথা বলছে।" সেই তরুণ ছিলেন শহীদ-ই-আজম ভগত সিং, আর তাঁর হাতের সেই শেষ সঙ্গীটি ছিল ভ্লাদিমির লেনিনের একটি জীবনী। মৃত্যুর আগের মুহূর্ত পর্যন্ত যে আদর্শ একজন মানুষকে সাহস জোগাতে পারে, সেই নামই হলো লেনিন। লেনিন কেবল একটি নাম নয়, লেনিন হলো শোষিত মানুষের ঘুরে দাঁড়ানোর শব্দ। তিনি শিখিয়েছেন যে রাষ্ট্র ব্যবস্থা কেবল ধনীদের পাহারাদার হতে পারে না; সাধারণ শ্রমিক, কৃষক আর মেহনতি মানুষেরও অধিকার আছে রাষ্ট্র পরিচালনার। তাঁর রাজনীতি কোনো ড্রয়িংরুমের চর্চা নয়, বরং তা হলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠা শ্রমজীবী মানুষের এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। আজ যখন কোনো গরিব মানুষ তার হকের লড়াই লড়ে, সেই লড়াইয়ের অনুপ্রেরণায় মিশে থাকেন লেনিন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, বাংলার মাটিতে আজ কিছু অশিক্ষিত ও সংস্কৃতিহীন উন্মত্ত গোষ্ঠী তাদের পেশীশক্তি জাহির কর...
Comments
Post a Comment