Skip to main content

Posts

5 Ancient Strategies from Bhagavat Gita for Navigating Modern Chaos

Introduction: The Kurukshetra of the 21st Century In the contemporary landscape, we find ourselves at a permanent crossroads—paralyzed by a surplus of choice, gripped by moral anguish, or acting out of a vague sense of unconscious compulsion. This state of "paralysis at the crossroads" is not a modern innovation; it is personified in the story of Prince Arjuna. On the battlefield of Kurukshetra around 3,100 BCE, the greatest warrior of his age lowered his bow and wept, overwhelmed by the prospect of the fight ahead. Arjuna is the 21st-century "everyman," caught between his potential and the habitual patterns that anchor him to the past. The Bhagavad Gita is not a historical account of ancient war, but a distilled operating manual for the "eternal war within" between our highest wisdom and our reactive fears. Today, as the World Health Organization reports that depression is the leading cause of disability worldwide, the Gita's insights offer more than ...
Recent posts

​মৃত্যুর মুখোমুখি | Standing Before Death

 ​১৯৩১ সালের ২৩শে মার্চ। লাহোর সেন্ট্রাল জেল। ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত, হাতে সময় মাত্র কয়েক মিনিট। অথচ কক্ষের ভেতরে এক তরুণ বিপ্লবী নিমগ্ন হয়ে পড়ছেন একটি বই। কারারক্ষী যখন ডাকতে এলেন, সেই তরুণ নির্ভীক চিত্তে উত্তর দিয়েছিলেন— "দাঁড়ান, একজন বিপ্লবী আর একজন বিপ্লবীর সাথে কথা বলছে।" সেই তরুণ ছিলেন শহীদ-ই-আজম ভগত সিং, আর তাঁর হাতের সেই শেষ সঙ্গীটি ছিল ভ্লাদিমির লেনিনের একটি জীবনী। মৃত্যুর আগের মুহূর্ত পর্যন্ত যে আদর্শ একজন মানুষকে সাহস জোগাতে পারে, সেই নামই হলো লেনিন। ​লেনিন কেবল একটি নাম নয়, লেনিন হলো শোষিত মানুষের ঘুরে দাঁড়ানোর শব্দ। তিনি শিখিয়েছেন যে রাষ্ট্র ব্যবস্থা কেবল ধনীদের পাহারাদার হতে পারে না; সাধারণ শ্রমিক, কৃষক আর মেহনতি মানুষেরও অধিকার আছে রাষ্ট্র পরিচালনার। তাঁর রাজনীতি কোনো ড্রয়িংরুমের চর্চা নয়, বরং তা হলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠা শ্রমজীবী মানুষের এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। আজ যখন কোনো গরিব মানুষ তার হকের লড়াই লড়ে, সেই লড়াইয়ের অনুপ্রেরণায় মিশে থাকেন লেনিন। ​কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, বাংলার মাটিতে আজ কিছু অশিক্ষিত ও সংস্কৃতিহীন উন্মত্ত গোষ্ঠী তাদের পেশীশক্তি জাহির কর...

হেকেটির ভানু

  তুমি আজ আলোকরেখায় ভাস্বর, রবি।  তোমার সেই 'ভানু' নাম আজ সার্থক—তুমি মধ্যগগনের সূর্য। কিন্তু জানো তো, সূর্যের প্রখরতার পাশে ছায়ার কোনো স্থান থাকে না। আমি তো তোমার সেই দীর্ঘ ছায়াটুকু হয়েই থাকতে চেয়েছিলাম। জোড়াসাঁকোর এই অতিকায় অন্দরমহলে যখন তুমি প্রথম এসেছিলে, তখন তুমি ছিলে একলা এক বালক, আর আমি ছিলেম একলা এক বালিকা। আমাদের সেই একাকিত্বের সন্ধিতে যে মৈত্রী জন্মেছিল, তাকে কি কেবল 'বৌঠান' আর 'ঠাকুরপো'-র সম্পর্কে বাঁধা যায়? ছাদের কার্নিশে বসে সেই যে মেঘমল্লারের সুর ভাঁজা, কিংবা তোমার সদ্যোজাত কবিতাগুলোর ব্যবচ্ছেদ করা—সেদিন কি ঘুণাক্ষরেও বুঝেছিলেম যে একদিন তোমার প্রতিটি পংক্তি আমারই বুকের পাঁজর দিয়ে খোদাই করতে হবে? আমার অন্ধকার আকাশে তুমিই ছিলে একমাত্র ধ্রুবতারা। তুমি আমাকে 'হেকেটি'র তিলক পরিয়েছিলে; ভেবেছিলেম আমিই হব তোমার কাব্যলক্ষ্মী, তোমার সৃষ্টির উৎস। কিন্তু বিধাতা বড় নিষ্ঠুর, রবি। মৃণালিনীর আগমনে আমি আজ বুঝতে পারছি, আমার ছায়ার খেলা আজ ফুরিয়ে এসেছে। তোমার বসন্তের সমীরণে এখন নতুন ফুলের গন্ধ। তুমি এখন সেই পূর্ণিমার নিশীথিনীকে খুঁজে পেয়েছ, যে তো...

পুরোনো পৃথিবী থেকে।

  প্রিয়, ​শীত আজ আমাকে কোণঠাসা করে দিয়েছে... ভিড় থেকে অনেক দূরে, অন্ধকার রাস্তায় পাথরগুলো গুনতে গুনতে আজ তোমাকে লিখছি। মনে আছে আমাদের কথা? আমরা সেই সন্ধিক্ষণের সন্তান, সেই '৮৮-র প্রজন্ম, যারা ধুলোমাখা শৈশব আর মনের গহীনে এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা নিয়ে বড় হয়েছি। ​আমি সেই স্পর্শ টা মিস করি। খুব মিস করি সেই কঠিন সময়টাকে, যখন তোমাকে ভালোবাসা এত সহজ সুলভ ছিল না। ​মনে পড়ে সেই নোকিয়া ফোনের শক্ত রাবারের কি-প্যাড? একটা 'C' লেখার জন্য তিনবার বোতাম টিপতে হতো, শুধু তোমাকে এটুকু বোঝাতে যে আমি তোমার কথা ভাবছি। তখন তো আর 'অটোকারেক্ট' ছিল না যে আমার ব্যাকুলতাকে মসৃণ করে দেবে, ছিল না কোনো 'প্রেডিক্টিভ টেক্সট' যা বলার আগেই আমার মনের কথা বুঝে যাবে। প্রতিটি শব্দের পেছনে একটা যত্ন ছিল, একটা সময় খরচ হতো। প্রতিটি মেসেজে লেগে থাকত আঙুলের স্পর্শ। ​তখন হাতে কোনো ম্যাপ ছিল না, মাথার ওপর ছিল না কোনো স্যাটেলাইট। সম্বল শুধু আমরা একে অন্যকে। আমরা তো হারিয়ে যেতাম—শহরের অলিগলিতে, খোলা মাঠে, আড্ডায়, তর্কে। হারিয়ে যাওয়াটাই ছিল আমাদের বিলাসিতা। তখন আমরা একে অপরের চোখের দিকে তাকাতাম, কোনো স্ক্রিনের দ...

The Rebel (Bidrohi)

  By Kazi Nazrul Islam Say, Hero— Say: High is my Head! Looking at my head, the peak of the Himalayas bows down in submission! Say, Hero— Say: Ripping through the great sky of the universe, Surpassing the moon, the sun, the planets, and the stars, Piercing through the earth and the heavens, Pushing through the seat of the Almighty’s throne— Have I risen, I, the eternal wonder of the Creator of worlds! The angered God shines on my forehead like a royal victory mark. Say, Hero— My head remains ever high! I am the eternal, the uncontrollable, the cruel, I am the dancer of destruction, the cyclone, the devastation! I am the supreme terror, the curse of the earth. I am irresistible, I grind all to dust! I am distinct; I obey no law. I sink the fully laden boats, I am the torpedo, I am the floating mine! I am the Dhurjati (Shiva) of the sudden storm, the untamed summer tempest! I am the Rebel, the chaotic son of the Mother Earth! I am the creation, I am the destruction, I am the habi...

বাষ্প

ঐযে আকাশ মেঘ, ওকে আমি বলেছি আমার মনের কথা কিছু টা শুনে একপশলা কেঁদে চলে গেছে। এখন আকাশে ঝলমলে রোদ সোঁদা মাটির গন্ধে মিলচ্ছে কথা গুলো বাষ্প হয়ে।। -ঋতজ্যোতি রায় 

এপার ওপার

ভালোবাসার দিবস, সোমবার। সকাল থেকে অফিস এর কাজ গুলো পাতার ওপর ভারী বর্ষার জল বিন্দুর মতন আসছে আর ভার রাখতে না পেরে নুইয়ে পড়ছে একটু একটু করে।  মনের মধ্যে এক অবাস্তব, অসম্ভব ইচ্ছের জ্বালায় অস্বস্থিকর এক মেজাজ এর সৃষ্টি হয়েছে। ধরুন এক হেরে যাওয়া সৈনিক , শত্রুপক্ষের সীমান্তের গন্ডি তে আটকে পড়েছে এবং সে জানে আর কিছুক্ষন এর অপেক্ষা তারপরেই সে ধরা পড়বে শত্রুর হাতে এবং হয়তো শাহিদ হবে তার আপনজন দের শেষবারের মতন না দেখেই,অথচ মন কিছুতেই মানছে না এই পরাজয়, বলছে না আরেকটু লড়, আরো কিছুক্ষন, কিছুদিন বাঁচো। সে যে তখন কি করবে বুঝে পায়না... আত্মসমর্পণ না গা ঢাকা দেওয়া না বন্দুক উঠিয়ে অপেক্ষায় থাকা... তেমনি.. যে ভালোবাসা পাওয়া যাবেনা কোনোদিন নিজের মতন করে, এক প্রকার অসম্ভব, যদি না আল্লাহ তালা, ঈশ্বর, গড এনাদের মধ্যে কেউ কিছু গভীর শড়যন্ত্রের মাধ্যমে তা পাইয়ে দেন, তবে কেনোই বা ওনারা এত কষ্ট নেবেন একজন যেকোনো মানুষ এর জন্যে? সত্য ভালোবাসে আলো কে। সে আলোর রোজকার অবহেলা অনুভব করে নিজের মতন কোরে... আলোর রোজকার না পাওয়া গুলোকে পাইয়ে দিতে তার মন একপ্রকার দু-টুকরো হয়ে ছুটে যেতে চায় আলোর কাছে.. দুপু...